রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬

মিডিয়া সন্ত্রাস

কালের কণ্ঠের মতো কিছু সংবাদ মাধ্যমে যে ধরনের নিউজ প্রচার করা হচ্ছে তা কখনোই সাংবাদিকতা হতে পারে না। গনতন্ত্রের হাতিয়ার হিসেবে যাদের সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কাজ করার কথা কথা সেই সব মিডিয়া মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক প্রপাগাণ্ডা প্রচার করতে করতে মিডিয়া-সন্ত্রাসে রূপ নিয়েছে।
  
মিডিয়া যখন সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকে তখন সে সরকার ফ্যাসিস্ট সরকারে রূপ নিতে থাকে, ব্যাবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে থাকলে পুজি বাদী শাসকগোষ্ঠী জন্যে বাজার লুট করে। এখানে প্রশ্ন হল, মিডিয়া যখন সন্ত্রাসীতে রূপ নেয়, তাকে রুখবে কে?
  
জনগণকেই মাঠে নামতে হবে বারবার? নাকি একটা স্বতন্ত্র মিডিয়া কমিশন করে তাদেরকেও জবাবদিহিতার আওতায় আনা দরকার। কমিশনের কথা আর কি বলব? দূর্নীতি দমন কমিশনেরও একচোখ কানা থাকে, সরকারী দলের মানুষের দূর্নীতি চোখেনা, অথচ বিরোধী দলের নাভিশ্বাস উঠে যায়। ছোটবেলা থেকেই এই নাটক দেখে আসছি।

শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

পতঙ্গ

একটা পতঙ্গ
উনুনের উদ্দীপ্ত শিখা দেখে
কি ছুটটাই না দিয়েছিল।
  
পতঙ্গটা ছিল অনেক দূরে
নিজের মতো ঘুরছিল পুষ্প-কানন-বনে
কিন্তু রক্তিম আভা সে উপেক্ষা করতে পারেনি।
  
একটা বৃত্তাকার পথ ধরে
কক্ষপথ ছোট করতে করতে
শোয়ার্জশিল্ড ব্যাসার্ধ যখন অতিক্রম করল
তখন তার ভ্রম খানিকটা কাটল বটে।
কিন্তু পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রকে হারিয়ে
আর ফিরে পালানোর সুযোগ ছিল না।
  
প্রণয় অথবা মৃত্যু।
অগ্নি আর পতঙ্গে কখনা প্রেম হয়না,
কেবল দহন হয়।
মৃত্যুটা তাই অবধারিতই ছিল।
  
বেচারা পতঙ্গ!
উনুনের উদ্দীপ্ত শিখা দেখে
হাসতে হাসতে মরেছিল।