জিন্নাহর উর্দু নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক থাকলেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ভারতের রাষ্ট্রভাষা প্রশ্নে একমাত্র হিন্দিকে পসিবল স্টেট ল্যাঙ্গুয়েজ বললেও তা নিয়ে কোন উচ্চবাচ্য করতে দেখিনা। তখন আবার চেতনাজীবিদের চেতনাদন্ড কেন জানি আর দাঁড়ায় না। বাংলার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, আমার মতে, হিন্দি এবং উর্দুই উপমহাদেশে আন্তঃপ্রাদেশিক ভাষা হিসেবে সবচে বেশি উপযুক্ত হতো, হতে পারে এটাই সত্যি।
আর ৪৭'এ পাকিস্তান না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন করা এত সহজ হত না, তারা বাঙালি চেতনার গল্প শুনাবে কিন্তু দুই বাংলা এক হয়ে যুক্ত-বাংলা হতে দিবেনা। ভারত প্রয়োজনে মণিপুর, মিজোরাম বা নাগাল্যান্ডের মতো গণহত্যা চালিয়ে যাবে, দেশ জনসংখ্যা শুন্য করে দিবে তবুও কোন জাতিকে স্বাধীন হতে দিবে না। বরং আমরা দেখিছি প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কৌশলে কাশ্মীর জনতার রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রশাসনিক আমলাতান্ত্রিক ছলনায় কিভাবে আর্টিকেল ৩৭০-এ হঠানো হয়েছে, যেখানে কাশ্মীরের জনগণের কিছু অধিকার সংরক্ষিত ছিল। কিভাবে লেন্দুপ দর্জির মতো কিছু লোভী প্রতারককে হাত করে সিকিমের মতো স্বাধীন রাজ্যকে এনেক্স করেছে।
ঘাতক লেন্দুপরা বাংলার জমিনে থাকা অবস্থায় বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব কখনো নিরাপদ নয়। বাংলাদেশ আর কোনদিন পাকিস্তান হবেনা, এই গ্যারান্টি দিতে পারি কিন্তু ভারতের অনুগত চর থাকতে ভারত কোনদিন আগ্রাসন চালাবে না এই গ্যারান্টি দিতে পারছি না। জাতি হিসেবে আমাদের এই ইনসিকিউরিটি ফিল করা উচিত।
সেদিন ৪৭'এ যদি জিন্নাহর ভুল হয়ে থাকে, তার সাথে দাঁড়ানো শেরে বাংলা, সোহরাওয়ার্দী, ভাসানী, শেখ মুজিবুর রহমানও ভুল ছিলেন। প্রকৃতপক্ষে, কেউ ভুল ছিল না, তারা মুসলমানদের ভবিষ্যৎ আগেই দেখতে পেরেছিলেন বলেই তারা নেতা। স্যালুট।
#UnitedBengal
#PartitionOfBengal
#indiavspakistan
#HistoricalPerspective
#historyofindia
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন